যেসব দেশে রোজা রাখা নিষিদ্ধ


যেসব দেশে রোজা রাখা নিষিদ্ধ

রোজা মুসলমানদের কাছে একটি আবেগের নাম। যা যুগ যুগ ধরে মুসলমারা বিশ্বাসের সহিত পালন করে আসছে। তবে আপনি শুনে অবাক হবেন যে  বিশ্বের বেশকিছু দেশ বা অঞ্চলে রোজা রাখা নিষিদ্ধ বা সীমাবদ্ধ করা হয়েছে, বিশেষ করে নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা সরকারি কর্মচারীদের জন্য। বিশ্বের যেসব দেশে বা অঞ্চলে রোজা রাখা নিষিদ্ধ বা সীমিত সেসব দেশ বা অঞ্চলগুলো হলো..


1.উত্তর কোরিয়া: উত্তর কোরিয়ায় রাজতান্ত্রিক শাসন থাকায় এখানে ধর্ম পালনের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। সেখানে ধর্মীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার ফলে রোজা রাখা কার্যত অসম্ভব। সেখানে যদি কেউ ধর্মীয় কার্যকলাপে লিপ্ত হয়, তাহলে তাকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়।


2.তাজিকিস্তান:তাজিকিস্তানে সরকারিভাবে ধর্মীয় চর্চার ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।

১৮ বছরের কম বয়সীদের মসজিদে যাওয়া নিষিদ্ধ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য রোজা রাখা নিরুৎসাহিত করা হয়। এবং সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষকরা প্রকাশ্যে রোজা রাখতে পারেন না।


3.চীন এর জিনজিয়াং প্রদেশ:চীনের এই অঞ্চলটিতে উইঘুর মুসলমানদের ওপর নানা বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং শিশুদের জন্য রোজা রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এমনকি রোজার মাসেও রেস্টুরেন্ট ও খাবারের দোকান খোলা রাখতে বাধ্য করা হয় । চীনা প্রশাসন মুসলমানদের ওপর নজরদারি চালায়, কেউ রোজা রাখলে তাদের শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়।


4.রাশিয়া: রাশিয়ার পুরো দেশে রোজা রাখা নিষিদ্ধ নয়, তবে কিছু নির্দিষ্ট অঞ্চলে মুসলমানদের ধর্মীয় চর্চার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বিশেষ করে মুসলিম প্রধান অঞ্চলগুলোর বাইরে রোজা রাখা এবং ইসলামী পোশাক পরিধান নিষেধ। এমনকি মুসলিম অঞ্চলগুলোতে সরকারি কর্মচারীদের জন্য রোজা রাখা নিরুৎসাহিত করা হয়।


৫. তুর্কমেনিস্তান : এখানে মসজিদে নামাজ আদায় ও রোজা রাখার বিষয়ে সরকারি কর্মচারীদের জন্য কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে।


বন্ধুরা আপনি কি মনে যে এসব অঞ্চল থেকে এইসব বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হউক। আপনার মতামত কমেন্টে লিখে যান।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Thanks

নবীনতর পূর্বতন